• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০২:১৭ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

জলঢাকায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার

সিসি নিউজ।। ঢাকা মহানগর আদালত থেকে ওয়ারেন্ট ইস্যু আর সেই আসামী গ্রেপ্তার হলেন নীলফামারীর জলঢাকা থানায়। রোববার (১৯ এপ্রিল) রাতে ঢাকার উত্তরা পূর্ব থানা ও জলঢাকার থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে আত্মগোপনে থাকা শফিকুল ইসলামকে জলঢাকা উপজেলার দক্ষিণ কাজিরহাট এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মামলার বিবরনে জানা যায়, শফিকুল ইসলাম জলঢাকায় রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবসায়ী ছিলেন। সে সুবাদে তিনি ঢাকার বায়ার ক্রপ সায়েন্স লিমিটেডের ডিলার ছিলেন। কিন্তু ওই ব্যবসায়ী ব্যবসার এক ফাঁকে বায়ার ক্রপ সায়েন্স লিমিটেডের সাথে প্রতারণামূলক বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মস্যাৎ করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিষ্ঠানের প্রজেক্ট ম্যানেজার আব্দুল জলিল মিয়া ঢাকা দায়রা জজ আদালতে শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলা নম্বর সিআর ৬৮৮/১৫।
মামলার আদেশে আদালত ফৌজদারী কার্যবিধির ৭৫ ধারা অনুসারে গত ২০২০ সালে ৬ ডিসেম্বর শফিকুল ইসলামকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান ও ১৫ লাখ টাকা জরিমানা করেন।
বায়ারের প্রজেক্ট ম্যানেজর আব্দুল জলিল মিয়া জানান, মামলার আসামী কোম্পানির বকেয়া পরিশোধ না করে দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে ছিলেন। সর্বশেষ গত ১৪ এপ্রিল ঢাকার মহানগর বিজ্ঞ আদালত তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা (ওয়ারেন্ট) জারি করেন।
জলঢাকা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল আলম জানান, শফিকুল ইসলামকে গ্রপ্তার করা হয়েছে। তাঁকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

আর্কাইভ